1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন রাসিক প্রশাসক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে রামেক হাসপাতালে রাসিক প্রশাসক বাঘায় বস্ত্র বিতরণ ও বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের আহ্বান এমপির সৌদি থেকে ফেরার এক মাসের মাথায় টাঙ্গাইলে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু দুর্গাপুর্জার উপত্তিস্থল রাজশাহীর তাহেরপুরে সিদুর শুভক্ষণে প্রতিমা বিসর্জন শিবগঞ্জে ভগ্নিপতির বিরুদ্ধে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দুই সহোদরের জিডি শিবগঞ্জে গরুবোঝাই ভটভটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, আহত ৮ পত্নীতলায় বিষ প্রয়োগে ২ একর জমির ধান নষ্টের অভিযোগ, ১ লাখ টাকা দাবি নওগাঁর আত্রাইয়ে অন্যের ভিটায় জরাজীর্ণ ঘরে দিন কাটছে অসহায় সাদ্দামের দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস

গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফারুক হোসেন নয়ন (বদরগঞ্জ, রংপুর প্রতিনিধি): সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। এক সময় গ্রামে গ্রামে গোয়াল ভরা গরু, পুকুর ভরা মাছ আর মাটি দিয়ে তৈরি শান্তির নীড় ছিল সার্বজনীন চিত্র। মাটির তৈরি ঘর যেন ছিল শান্তির এক অপূর্ব রূপ। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালের প্রখর রোদে মাটির ঘর এতটাই আরামদায়ক ও শীতল থাকত যে, কেবল গ্রামাঞ্চলের মানুষই এর প্রকৃত মর্ম বুঝতে পারত।

তবে সময়ের বিবর্তনে ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় আজ গ্রামীণ ঐতিহ্য মাটির বাড়ি প্রায় বিলুপ্তির পথে।

বদরগঞ্জের নয়াপাড়া গ্রামে শৈল্পিক সৌন্দর্যের মাটির ঘর

সম্প্রতি সরেজমিনে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলা ঘুরে মাটির ঘরের দেখা মেলে লোহানিপাড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। কাছে গিয়ে দেখা যায়, শৈল্পিক সৌন্দর্যে ভরা মাটির ঘরটি তার অতীত ঐতিহ্য আঁকড়ে ধরে এখনও দাঁড়িয়ে আছে। ঘরটি দেখে মনে হয়, সে যেন নীরবে বলছে—“এক সময় আমার ব্যাপক কদর থাকলেও, আধুনিকতার ভীড়ে আজ আমি মূল্যহীন।”

প্রবীণদের স্মৃতিতে মাটির ঘরের দিনগুলো

লোহানিপাড়া ইউপির সাবেক সদস্য ও ৮৫ বছর বয়সী প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুর রাজ্জাক জানান:

“আগে আমাদের এলাকায় অসংখ্য মাটির বাড়ি ছিল। মাটির তৈরি ঘরগুলোতে আবহাওয়া এতটাই শীতল থাকত যে গরমের দিনে ইলেকট্রিক ফ্যানের তেমন প্রয়োজন হতো না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে মানুষের রুচিবোধের পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে নতুন প্রজন্ম আর মাটির তৈরি ঘরে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না।”

তিনি আরও জানান, আধুনিকতার ছোঁয়া এবং বর্ষাকালে মাটির ঘর ধসে পড়ার ঝুঁকির কারণে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখন মাটির ঘর ভেঙে পাকা বাড়ি তৈরি করছেন। তবে মাটির ঘর দেশীয় গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতীক। তাই মাটি দিয়ে তৈরি ঘরগুলোকে আধুনিকায়ন করে গ্রামীণ অতীত ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা উচিত।

ঐতিহ্য রক্ষায় মাটির ঘরের আধুনিকায়ন প্রয়োজন

বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানিপাড়া কাঁচাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আকবর আলী (৭৫) স্মৃতিচারণ করে বলেন:

“ছোটবেলায় আমিও মাটির তৈরি ঘরে বাস করেছি। ঘরগুলো এতটাই ঠান্ডা থাকত যে ইলেকট্রিক ফ্যানের কোনো প্রয়োজনই পড়ত না। মাটির তৈরি ঘর গ্রাম-বাংলার এক সময়ের মূল ঐতিহ্য, যার সংরক্ষণ এখন অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, “আমরা যদি এখনই এই মাটির ঘর সংরক্ষণ না করি, তবে আগামী প্রজন্ম জানতেই পারবে না মাটির তৈরি ঘরের গল্প। আমাদের গৌরবময় গ্রামীণ ঐতিহ্যকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদেরই।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট