1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ ​সংকীর্ণ মেহরাব ও ছোট মসজিদে ইমামের দাঁড়ানোর স্থান: ইসলামি শরিয়তের আলোতে একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বাঘায় আনসার-ভিডিপির কমান্ডার- দলনেতা-দলনেত্রী পেলেন মহাপরিচালকের ঈদ উপহার শিবগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় স্ট্রিয়ারিং চালক কিশোর  নিহত শিবগঞ্জের চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫ হাজার বেশী মজুদ কোরবানীর  পশু হৃদপিণ্ডে ছিদ্র ও খাদ্যনালী ব্লকে মৃত্যুর সাথে লড়ছে ১৩ মাসের অর্পিতা — বাঁচাতে এগিয়ে আসার আকুল আহ্বান তানোরে বিনা পারিশ্রমিকে শিব নদীর পাড়ে সবুজের ছায়া গড়েছেন গাছপ্রেমীক মোয়াজ্জেম জাবেদ আলি শিবগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে বজ্রপাতে নারীসহ নিহত ২ শিবগঞ্জের খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শিবগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী  ড. সাইমুম পারভেজ এর নাগরিক সংবর্ধনা

খুলনায় জেলা পরিষদের জমিতে নেতাদের মার্কেট ইজারা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪
  • ২৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শহিদুল্লাহ আল আজাদ. খুলনা ব্যুরো………………..

খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নামমাত্র মূল্যে জেলা পরিষদের কাছ থেকে জমি ইজারা নিয়ে সেখানে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে বিক্রি করছেন জেলা পরিষদের সদস্য ও সরকারি দলের নেতারা। ১০/১২ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি দোকান। অথচ  এই খাত থেকে জেলা পরিষদ পাচ্ছে মাত্র ৭ হাজার ৬৩২ টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার সংযোগস্থল চুকনগর বাজার। এ বাজারের যতিন-কাশেম সড়কের পাশে স্বাধীনতার আগে ৫৬ শতক জমির ওপর নির্মিত হয় ডাকবাংলো। বাংলোটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়লে ওই জমিতে ২০২০ সালে সেলামিমূল্যে ‘চুকনগর সুপার মার্কেট’ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে জেলা পরিষদ। কিন্তু কাংখিত সাড়া না পাওয়ায় চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি জেলা পরিষদ প্রকল্পটি বাতিল করে। একই সঙ্গে ওই জমি ইজারা দেওয়ার জন্য জেলা পরিষদ সম্পত্তি বিধিমালা-২০১৭ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সূত্রটি জানায়, গত ১৯ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি পত্রিকায় জমি ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সবচেয়ে ছোট আয়তনের ১০৬ বর্গফুটের দোকানঘরের আয়কর ও ভ্যাটসহ ইজারামূল্য ৭ হাজার ৬৩২ টাকা। আর সবচেয়ে বড় ১৪২ বর্গফুট আয়তনের দোকানঘরের আয়কর ও ভ্যাটসহ ইজারামূল্য ১০ হাজার ২২৪ টাকা। গত ৭ মার্চ খুলনা জেলা পরিষদ ষষ্ঠ সভায় ৮৮ জনের মধ্যে ১০৬ থেকে ১৪২ বর্গফুট আয়তনের জায়গা একসনা ইজারা দেওয়া হয়।

খুলনা জেলা পরিষদের প্রজ্ঞাপনে বলা রয়েছে পরিষদের সম্পত্তি সংস্থার চেয়ারম্যান, সদস্য বা কর্মচারীর নামে বা বেনামে অথবা তার আত্মীয়র নামে ইজারা নেওয়া বা ভাড়া নেওয়া যাবে না। কিন্তু ইজারাপ্রাপ্তদের তালিকায় পরিষদের কয়েকজন সদস্যদের নাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ, জেলা পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সরোজিত কুমার রায়, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জি এম আব্দুল্লাহ, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. রবিউল ইসলাম গাজী, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এমডিএ হালিম বাবু, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য দিলীপ হালদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এমডি মফিজ উদ্দীন, সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নাহার আক্তার, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাসনা হেনা ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফারহানা নাজনীন।

উক্ত ইজারার তালিকায় অনেকের নাম দুবারও রয়েছে। তারা হলেন ইন্দ্রজিৎ দেব, কবিতা আঢ্য, জয়দেব আঢ্য, শেখ মো. আলাউদ্দিন, নিত্য গোপাল সিকদার, রূপা রানী সিকদার, তামীম হাসান, মো. আতিকুজ্জামান, জুঁই সাহা ও জ্যোস্না সিকদার। উক্ত জমি ইজারা চুক্তির সাত নম্বর শর্তে উল্লেখ ছিল, লিজপ্রদত্ত জমিতে কোনো স্থায়ী বা পাকা অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবে না। তবে লিজগ্রহীতা জেলা পরিষদের অনুমতি নিয়ে সেমিপাকা দোকানঘর বানিয়ে ব্যবসা চালাতে পারবেন। অথচ শর্ত ভেঙে ওই জমিতে ছাদযুক্ত মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে দোকানঘর হচ্ছে ১২৬টি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী জানান, ডাকবাংলোর জায়গায় তাদের ঘর ছিল। নতুন মার্কেটে দোকানঘর পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার আছে। অথচ তারা দোকানঘরই পাননি। সংশ্লিষ্টরা দুটি ঘরের জন্য ২০ লাখ টাকা চেয়েছেন। এত টাকা জোগাড় করতে না পারায় তারা দোকানঘর পাননি।

ডুমুরিয়ার আটলিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রতাপ কুমার রায় বলেন, ইজারা প্রদানে চরম অনিয়ম হয়েছে। জেলা পরিষদের ইজারার তালিকায় দেখা গেছে ৯০ ভাগ দোকানঘর ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, নড়াইল, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা ও খুলনা সদরের লোকজন পেয়েছেন।

খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজা রশীদ বলেন, ৮৮ জনের মধ্যে জমি ইজারা দেওয়া হয়েছে। অন্য বিষয়গুলো তার নজরে আসেনি। বিদেশ থেকে ফেরার পর এখনো চেয়ারম্যান অফিস করেননি। তিনি অফিসে এলে আলোচনা সাপেক্ষে তদন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট